Welcome To

১৯৬৫ সালে বড়াল নদীর তীরে তমালতলায় নূরপুর মালঞ্চি উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। পূর্ব থেকে এ এলাকার মানুষ শিক্ষানুরাগী ছিল। প্রাথমিক শিক্ষা শেষে মাধ্যমিক শিক্ষার জন্য যেত হতো আড়ানী বা নাটোরে। এলাকার প্রয়োজনে শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিবর্গ তমালতলায় প্রতিষ্ঠিত করেন এই বিদ্যাপিঠ। আব্দুল গণি মিয়া, ডা: আব্দুল কুদ্দুস সরকার, আতাউর রহমান মোল্লা, মো: হবিবর রহমান, নইমুদ্দিন প্রাং, হাচেন আলী মন্ডল, আজমতুল্লা খন্দকার, কাদের আলী মোল্লা, আ: জব্বার (রহিমানপুর) প্রমুখ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠা লগ্নে অবদান রেখেছেন।সে সময় অত্র নূরপুর মালঞ্চি গ্রামটি শিক্ষায় অগ্রগামী ছিল। এগ্রামেই রাজকন্যা মালঞ্চোর বাড়ীর ছিল। এ কারণেই নূরপুর মালঞ্চি গ্রামের নামের সাথে মিল রেখেই বিদ্যালয়ের নাম করণ করা হয় নূরপুর মালঞ্চি উচ্চ বিদ্যালয়। 

Why Choose ?

১। সময়োপযোগী ও জাতীয় পাঠ্যক্রমের ভিত্তিতে শিশুদের দক্ষতা ও মেধার বিকাশ ঘটানো হয়। 

২। ধীর ও অমনোযোগী শিক্ষার্থীদের বিশেষভাবে যত্ন নেওয়া হয়।

৩। প্রতিযোগিতা মুলক মানষিকতায় উৎসাহী করার জন্য বিভিন্ন প্রকার পরীক্ষা গ্রহন করা হয়।

৪। প্রতিটি ছাত্র/ছাত্রীকে ধর্মীয় ও নৈতিক মুল্যবোধ শিক্ষা, সমাজ ও পরিবেশের প্রতি দায়বদ্ধতা সম্পর্কে সচেতন করে গড়ে তোলা হয়।

৫। সুপ্ত মেধার বিকাশে উৎসাহ সৃষ্টির জন্য শ্রেণী কক্ষে বিভিন্ন প্রকার পুরস্কার প্রদান করা হয়।

৬। শিক্ষার্থীরা যাতে পূর্ণ মেধা অর্জন করতে পারে সেই লক্ষে অভিভাবকগণকে শিক্ষার্থীদের কার্যক্রম সম্পর্কে অবগত ও সংযুক্ত করা হয়ে থাকে।

৭। সৃষ্টি শীলতা ও কলা শিল্প উন্নয়ন কল্পে বিজ্ঞান মেলা, শিক্ষা সফর, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস সূমহ পালন, বার্ষিক ফলাফল ঘোষনা, বির্তক, রচনা, হাতের লেখা, আন্ত: কক্ষ খেলা ধূলা ও বিভিন্ন ধরনের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়ে থাকে।

৮। নিরাপদ পানি, পুষ্টি সেবা, স্বাস্থ্য সেবা ও প্রাথমিক চিকিৎসার প্রতি সচেতনতা অবলম্বন করা হয়।

৯। আধুনিক শিক্ষাপোকরন যেমন: মাল্টিমিডিয়া, সাউন্ড সিস্টেম, আকর্ষনীয় ডিজিটাল ভয়েস ইত্যাদির মাধ্যমে ক্লাস নেওয়া হয়।

১০। নিয়মিত সকাল ১০ ঘটিকায় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

১১। স্কুল সম্পর্কিত সকল তথ্য Web site এর মাধ্যমে পাওয়া যায়।

 

 

Our Teachers